রফিক সাহেব শীতের ছুটিতে ভাগ্নি সাহানাকে নিয়ে গ্রামে বেড়াতে যান। রাতের আকাশ দেখার জন্য তারা খোলা মাঠে যান। অদূরেই দেখতে পান মাঠের মধ্যে হঠাৎ এক প্রকার আলো জ্বলে উঠে তা সামনে এগিয়ে যাচ্ছে। ওটা কিসের আলো তা জানতে চাইলে সাহানার মামা বলেন, ভূতের! সাহানা ভয় পেয়ে তার মামাকে জড়িয়ে ধরে। মামা তখন তাকে বুঝিয়ে বলেন যে, খোলা মাঠের মাটিতে এক প্রকার গ্যাস থাকে- যা বাতাসের সংস্পর্শে এলে জ্বলে ওঠে। সাহানা বিষয়টা বুঝতে পেরে স্বাভাবিক হয়।
হ্যাঁ, রফিক সাহেব আর 'তৈলচিত্রের ভূত' গল্পের পরাশর ডাক্তার উভয়কে আধুনিক মানসিকতার অধিকারী বলা যায়।
অনেক আগে মানুষ অজ্ঞতার অন্ধকারে বসবাস করত! অনেক কিছুকেই না বুঝে ভূত বলে মনে করত। ভূতে বিশ্বাস এখন আর মানুষের নেই। এক্ষেত্রে বিজ্ঞানের অবদান সবচেয়ে বেশি।
উদ্দীপকে রফিক সাহেব তার ভাগনি সাহানাকে নিয়ে গ্রামে বেড়াতে যান। সেখানে সাহানা রাতের বেলা খোলা মাঠে হঠাৎ আগুন জ্বলে উঠে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে দেখে। বিষয়টি নতুন বলে সাহানা ভয় পেয়ে যায়। মামা বৈজ্ঞানিক কারণ ব্যাখ্যা করে বুঝিয়েছেন যে, সেটি ভূতের কাজ নয়। মাটির একপ্রকার গ্যাস যা বাতাসের সংস্পর্শে এলে জ্বলে ওঠে। 'তৈলচিত্রের ভূত' গল্পে নগেন তার মামার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে তৈলচিত্রের ওপর হাত রাখতে গিয়ে বিদ্যুতের শককে ভূত ভেবে ভয় পায়। পরাশর ডাক্তার বিজ্ঞানসম্মত যুক্তিতর্কের মানুষ বলে শেষে বুঝতে পারলেন যে, তৈলচিত্রটি রূপার ফ্রেমে আটকানো এবং তাতে বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে বলে এরূপ ঘটেছে। বিষয়টি তিনি নগেনকে ব্যাখ্যা করে বুঝিয়ে দিলেন। নগেন বুঝতে পারল এবং তার ভূতে বিশ্বাস দূর হলো।
রফিক সাহেব ও পরাশর ডাক্তার ব্যাখ্যা দিয়ে সাহানা ও নগেনকে বোঝাতে সক্ষম হন যে ভূত বলে কিছুই নেই। তাদের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ থেকে বোঝা যায় উভয়েই আধুনিক মানসিকতার অধিকারী।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?